খুলনার ৩ উপজেলায় আমনের বীজতলা তৈরিতে সেচ যন্ত্রের ব্যবহার

0
19

শেখ মাহতাব হোসেন,ডুমুরিয়া (খুলনা) ::


গেল বর্ষা মওসুমের তুলনায় এ মওসুমে বৃষ্টির পরিমাণ পঁঞ্চাশ শতাংশ কম। বর্ষা মওসুমের আষাঢ় বিদায় নিলেও এখনো বীজতলা সম্পূর্ণ হয়নি। এ পর্যন্ত মাত্র ২৫ শতাংশ বীজতলা সম্পন্ন হয়েছে। এ মওসুমে আমন রোপনে বিলম্ব হবে। তবে বীজ ও সারের কোন ঘাটতি ছিল না।

গত বছরের বর্ষা মওসুমে জুন মাসে ২শ’ ২০ মি:মি: ও জুলাই মাসে ৩শ’ ৬৭ মি:মি: বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এ বছরের জুন মাসে ১শ’ ৪৩ মি:মি: ও জুলাই মাসে ২শ’ ৩৫ মি:মি: বৃষ্টি হয়। এ মওসুমে গত ১৪ জুলাই বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি ছিল। ৩৬ মি:মি: বৃষ্টিপাত হয়। কাঙ্খিত বৃষ্টি না হওয়ায় ২৫ শতাংশের বেশি বীজতলা তৈরি সম্ভব হয়নি। ফলে পাইকগাছা, ফুলতলা ও ডুমুরিয়ায় বীজতলা তৈরিতে সেচ যন্ত্রের ব্যবহার করতে হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানান, খুলনা অঞ্চলে বিরি-৪৯, বিরি-৩০, বিরি-৭৫, বিরি-৭৬, বিরি-৭৭, বিরি-৩৩, বিনা-৭, বিআর-১১, বিআর-১০, বিআর-২০, বিআর-২২ জাতের ধানের আবাদ বেশি হয়। দাকোপ উপজেলায় নোনা পানির চিংড়ী চাষ কমে যাওয়ায় সেখানে আমনের আবাদ বেড়েছে। পাশাপাশি ডুমুরিয়ায়ও কৃষকরা আমন চাষে ঝুঁকে পড়েছে। কাঙ্খিত বৃষ্টি না হওয়ায় এবার বীজতলা তৈরিতে আগামী মাস পর্যন্ত সময় লেগে যাবে। খুলনার অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্যান) নজরুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, এ মওসুমে ৫ হাজার ৩শ’ ৯০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরির লক্ষমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত বীজতলা হয়েছে ১ হাজার ৩শ’ ৫০ হেক্টর। গত বছর জেলায় ৫ হাজার ২শ’ ৬০ হেক্টর জমিতে বীজতলা হয়। এ মওসুমে ৯২ হাজার ৮শ’ ৭ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত মওসুমে ৯০ হাজার ১শ’ ৯২ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ হয়।

উল্লেখ্য, এ মওসুমে খুলনা জেলায় ৬ হাজার ৯শ’ ৭৩ মেট্টিক টন ইউরিয়া, ১ হাজার ৮শ’ ২৬ মেট্টিক টন পিএসপি, ১ হাজার ৪শ’ ৪১ মেট্টিক টন ডিএপি এবং ১ হাজার ৭শ’ ৪৮ মেট্টিক টন এমওপি সার বরাদ্দ করা হয়েছে। জেলায় এবারে বীজ ও সারের ঘাটতি নেই।

মন্ত্যব্য সমূহ