মণিরামপুরের রাজগঞ্জ এলাকায় নিষিদ্ধ পলিথিনের অবাধ ব্যবসা, হুমকিতে পরিবেশ দেখার যেনকেউ নেই

0
26

উত্তম চক্রবর্তী,মণিরামপুর(যশোর)অফিস ::


যশোরের মণিরামপুরের রাজগঞ্জ বাজারসহ এলাকার বিভিন্ন হাট-বাজারে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার বেড়েই চলেছে। এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া ভাবে বাংলাদেশে ব্যবহার নিষিদ্ধ পলিথিন আমদানী করে বিক্রয় করলেও যেনো দেখার কেউ নেই। রাজগঞ্জ বাজারসহ এলাকার হাট-বাজারের মুদি দোকানগুলোতে খোঁজ খবর নিয়ে যানা গেছে, পাইকারি মুদি দোকানে বিভিন্ন সাইজের নিষিদ্ধ পলিথিন প্যাকেট পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করা হচ্ছে। এই নিষিদ্ধ পলিথিন রাজগঞ্জ এলাকার চিড়া, মুড়ি, গুড়, মিষ্টি, মাছ, সবজি ও মুদি দোকানে বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে। ভোক্তারা দোকান থেকে কোনো পণ্য কিনলেই দোকানদাররা পলিথিনের প্যাকেটে ভরে সরবরাহ করছে। ভোক্তারা সেই পলিথিনের প্যাকেটগুলো ব্যবহার শেষে যেখানে-সেখানে ফেলে দিচ্ছে।

এতে পরিবেশের মারাত্মকভাবে ক্ষতি হচ্ছে। বজর্য পলিথিন মাটিতে পড়ে একদিকে যেমন মাটির উর্বর শক্তি নষ্ট হচ্ছে, তেমনি ড্রেন, খাল, বাঁওড় ও বিলে নিষিদ্ধ পলিথিন প্যাকেট পড়ে পানির স্বাভাবিক গতি বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে। যেসব পলিথিন সাধারণত ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলো অত্যান্ত নিম্নমানের। এজন্য মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে বলে জানা গেছে।

ব্যবহার নিষিদ্ধ ক্ষতিকর পলিথিন প্যাকেট ব্যবহারে সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেও তা মানছে না কেউ। এবিষয়ে প্রশাসন থেকে আজ পর্যন্ত কোনো অভিযান রাজগঞ্জ এলাকায় পরিচালিত হয়নি। একারণেই অসাধু ব্যবসায়ীরা আরো বেপরোয়া হয়ে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়েই দেদারছে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের অবৈধ ব্যবসা।

রাজগঞ্জ বাজারের নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন দোকানদার বলেন, নাম বলতে পারবো না এমন কিছুলোক এ বাজারে পলিথিন প্যাকেট বাজারের দোকানদার নিকট সরবরাহ করে থাকেন। আমরা তাদের নিটক থেকে কিনে খুচরা, পাইকারি বিক্রিসহ ভোক্তাদের মাঝে সরবরাহ করি।

এদিকে, স্থানীয় সচেতন সমাজ বলছে, বিষয়টির দিকে সরকারি তরফ থেকে কঠোর নজরদারি করা হলে আবারো বন্ধ হবে নিষিদ্ধ পলিথিন প্যাকেটের ব্যবহার। তাতে উন্নতি হবে পরিবেশের। তাই বিষয়টির দিকে নজর দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন সাধারণ মানুষ।

মন্ত্যব্য সমূহ