আদালতের নির্দেশ অমান্য করে চুকনগর মডেল মহিলা কলেজের জমি দখল অপচেষ্টা

0
14

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে কাজ বন্ধ

 

 

:::শেখ মাহতাব হোসেন,ডুমুরিয়া:::

আদালতের নির্দেশ অমান্য করে চুকনগর মডেল মহিলা কলেজের জমিতে গাছের চারা রোপনের জন্য কাজ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংবাদ পেয়ে ডুমুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে কাজ বন্দ করে দেয়া হয়েছে।

মামলা সূত্রে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর শহরের পশ্চিম প্রান্তে কোলাহল মুক্ত পরিবেশে মডেল মহিলা কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। নিবন্ধিত এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠ্নাটি এস এ ৬৮ ও ৭৮ নং খতিয়ানে রেকর্ডীয় মালিক আব্দুল জব্বার গাজীর মৃত্যুকালে ৩পুত্র মতলেব,শওকত ও নুরুল গাজী,২কন্যা রিজিয়া ও রুমিছা এবং স্ত্রী মানি বিবিকে ওয়ারেশ রেখে মারা যান। কিন্তু নুরুল গাজী ২বোন ও মাতার নিকট হতে ১৯৮৭সালের ৯ডিসেম্বর ৫৪৭৮নং,২০০০সালের ১৮এপ্রিল ২৫১৮নং ও ২০০৩সালের ১২মে ২৭৮৯ ও ২৭৯০ নং রেজিষ্ট্রি দলিলের মাধ্যমে সম্পত্তি অর্জন করে ভোগ দখলে থাকা অবস্থায় ১.১২একর জমি গত ২০০৩সালের ১২মে ২৭৮৯ ও ২৭৯০নং রেজিষ্ট্রি দলিলে প্রতিষ্ঠান মডেল মহিলা কলেজ এর নিকট বিক্রয় করে দখল প্রদান করে। সেই অবধি উক্ত জমি কলেজ কর্তৃপক্ষ বিআর এস ৩১,৩২,৩৩,৩৭, ও ১০৩ দাগে ভোগ দখলে আছে। আর এস ৩৩দাগে .৪৮৯৩ ও ৩১দাগে .২২ একর জমির উপর কলেজের মূল ভবন অবস্থিত। যার চার পাশ সীমানা প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। বি আর এস ৩৭নং দাগে.১৩২৫একর জমির মধ্যে .০৮একর ও বিআর এস ৩২ নং দাগে .২১৬২একর জমির মধ্যে .১৬১২একর জমি মডেল মহিলা কলেজের বাউন্ডারীর বাইরে কলেজ ভোগ দখল করছে। আর এস ৩২নং দাগে নালিশী .১৬১২একর জমির উপর সরকারী রাস্তা হতে কলেজ বাউন্ডারীর ভিতর প্রবেশ ও চলাচলের রাস্তা সহ মূল ফটক আছে।

এক কথায় বলা যায় জমি ক্রয়ের পর থেকে অদ্যবধি কলেজ জমিটি ভোগ দখল করছে। কিন্তু গত ২০১৯ সালের ১১ফেব্র“য়ারী আরএস ৩২দাগের পশ্চিম পাশের জমিটি কেশবপুর উপজেলার দশকাহনিয়া গ্রামের আতিয়ার রহমানের পুত্র মোঃ ফরহাদ হোসেন বাবু হঠ্যাৎ জমিতে গিয়ে সেখানে প্রাচীর নির্মানের চেষ্টা করে। তখন অত্র কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মঈনুর রহমান এলাকায় শান্তি শৃংখলা রক্ষার্থে কোন প্রকার সংঘর্ষে না গিয়ে খুলনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সরণাপন্ন হয়ে ১৪৪/১৪৫ধারা মতে ২য় পক্ষের বিরুদ্ধে একটি নালিশী অভিযোগ করেন। আদালত সার্বিক বিষয় বিচার বিশ্লেষন করে প্রতিষ্ঠানে শান্তি শৃংখলা রক্ষার্থে নালিশী জমির উপর ১৪৫ধারা জারি করেন। কিন্তু আদালতের আদেশ অমান্য করে আবারও ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর সকালে জমিটি দখলের চেষ্টা করেন ২য় পক্ষ।

বিষয়টি তৎক্ষণাৎ ডুমুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম বিপ্লবকে জানানো হলে তিনি মাগুরাঘোনা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই চুন্নু শেখকে কাজ বন্দ করে দেওয়ায় নির্দেশ দিলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্দ করে দেন।

মন্ত্যব্য সমূহ