দূর্নীতির মামলায় সাতক্ষীরার সাবেক সিভিল সার্জনের জেল

0
16

:::: দীপ্ত নিউজ,সাতক্ষীরা ::::

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলায় সাবেক সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদুর রহমানকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার সাতক্ষীরার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান ওই নির্দেশ দেন। জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ১৬ কোটি ৬১ লাখ ৩১ হাজার ৮২৭ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের দায়েরকৃত মামলায় তাকে হাজতে পাঠানো হয়।

আসামি তৌহিদুর রহমান ঐ মামলায় এরআগে হাইকোর্টের আদেশে ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। গত ৮ সেপ্টেম্বর তার জামিনের মেয়াদ শেষ হয়। জামিন শেষে সোমবার স্বেচ্ছায় আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন।

চাঞ্চল্যকর এই দুর্নীতির মামলার অপর আসামি হিসাব রক্ষক আনোয়ার হোসেন গত ২৭ আগস্ট আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাকেও জেল হাজতে পাঠায়। এছাড়া এ মামলার অপর পলাতক আসামি স্টোর কিপার ফজলুল হককে সম্প্রতি হাইকোর্ট এক আদেশে দেশ ত্যাগ না করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালত সুত্র জানায়, এ মামলার প্রধান আসামি সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সাবেক সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদুর রহমান গত ২৯ জুলাই হাইকোর্টে স্বেচ্ছায় হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে তাকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন দেন পাশাপাশি ওই সময়ের মধ্যে নিন্ম আদালতে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। উক্ত নির্দেশনা অনুযায়ী তৌহিদুর রহমান গত ২৫ আগস্ট সাতক্ষীরার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিননামা সম্পাদনের আবেদন করলে আদালত তার জামিন বহাল রেখে জামিননামা সম্পাদনের নির্দেশ দেন।

জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় সোমবার তিনি আত্মসমর্পণ করেন।

উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য বিভাগের কলঙ্ক দুর্নীতিবাজ ফজলুল হকের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ৭ কোটি ৯৯ লক্ষ ৯৮ হাজার ৬৪৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা আরও একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তিনি শ্যামনগর উপজেলার ইছাপুর গ্রামের মৃত আজিজুল হকের পুত্র।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর যন্ত্রপাতি ক্রয়ের নামে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ১৬ কোটি ৬১ লাখ ৩১ হাজার ৮২৭ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয় ঢাকার উপ-সহকারী পরিচালক জালাল উদ্দীন বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে স্পেশাল ২৫/১৯ নম্বর ওই মামলাটি দায়ের করেন।

মন্ত্যব্য সমূহ