কুষ্টিয়ার নিজ গ্রামে চিরনিদ্রায় আবরার

0
11

হাজার মানুষের চোখ ভিজিয়ে কুষ্টিয়ায় নিজ গ্রাম কুমারখালীর কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামে বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন। মঙ্গলবার গ্রামের কবরস্থানে তৃতীয় জানাজা শেষে সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ আবরার ফাহাদের দাফন সম্পন্ন হয়। জানাজায় রাজনৈতিক নেতাসহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও এলাকার কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেয়। এ সময় এলাকাবাসী হত্যাকারীদের দ্রুত সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন শ্লোগান দেন।

কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মুস্তাফিজুর রহমান জানান, সুষ্ঠুভাবে আবরারের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। ঢাকায় দায়ের হওয়া মামলায় প্রয়োজনে তারা সহযোগিতা করবেন। এর আগে ভোর ৬টায় কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোডে নিজ বাসভবনের সামনে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানসহ দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীরা অংশ নেয়। জানাজায় খুলনা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও আরও বেশ কিছু নেতাকর্মী অংশ নেন।

এর আগে রাতে ঢাকা থেকে আবরারের মৃতদেহ কুষ্টিয়ায় বাড়িতে পৌঁছালে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। লাশের অপেক্ষারত স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। মা-বাবাসহ পরিবার-পরিজনের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। সবাই সুষ্ঠু তদন্তে নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

নিহত আবরারের ছোটভাই আবরার ফাইয়াজ জানান, এইচএসসিতে দেশের টপ ২০ এর মধ্যে ছিলেন আবরার। পড়ালেখা ছাড়া তিনি কিছু বুঝতেন না। কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল না। তবে হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তিসহ কি কারণে এই হত্যাকাণ্ড সেই বিষয়ে জানতে চান তারা।

মন্ত্যব্য সমূহ