মানবতার অপর নাম ওসি আমিনুল ইসলাম বিপ্লব

0
4

শেখ মাহতাব হোসেন:::


পুলিশ হতে পারে মানুষের প্রকৃত বন্ধু। দুর্দান্ত সাহসী ও সৎ পুলিশ অফিসার মোঃ আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। ডুমুরিয়া থানায় চারিদিকে যখন অপরাধ দিনদিন বাড়তেই থাকে, আইনশৃঙ্খলার ব্যাপক অবনতি হয়। খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই রাহাজানি, চাঁদাবাজি প্রকাশ্য দিবালোকে শুরু হয়। প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খায়। ঠিক তখনই ,খুলনা জেলায় ডুমুরিয়া থানায় দুর্দান্ত সাহসী ও সৎ পুলিশ অফিসার পাঠানো হয়। আর ওই পুলিশ অফিসার তার সৎ সাহসকে পুঁজি করে জনগণের শান্তির জন্য দিনরাত এক করে সকল অন্যায়কে বিতাড়িত করে সন্ত্রাস দমনে সফল হয়।

সাধারণ মানুষ এখন পুলিশের সুনাম করছেন। যখন দেখি তিনি তাঁর কর্মে সফল তখনি শুধুমাত্র উৎসাহ প্রদানের লক্ষে সাধারণ জনগন হিসেবে সুনাম করার প্রয়োজনিয়তা বোধ করে। সাধারণের মুখে শোনা যায়, চলচ্চিত্রের কাহিনীর কথা যেমনটা প্রায়ই সিনেমায় দেখে থাকি পুলিশের ভূমিকায় নায়কের অভিনয়।

একজন সৎ ও সাহসী পুলিশ হিসেবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে শত বাধা অতিক্রম করে সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
এমনটা শুধুমাত্র সিনেমাতেই দেখে থাকি। বাস্তবে পুলিশের দায়িত্ব নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে। পুলিশের নাম শুনতেই জণসাধারণের মনে ভালো মন্দের এক বিরাট দেওয়াল তৈরী হয়। সারাজীবন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পুলিশের নেতিবাচক ভাবমূর্তি দেখে আমাদের অনেকের জ্ঞান হয়তো প্রচ- ঝাঁকুনি খায়।

কিন্তু পুলিশ বাহিনীতেও রয়েছে কিছু অফিসার যারা নিজেদের জীবন সাধারণ মানুষের সেবাই উৎসর্গ করে দিয়েছে।
তারা রীতিমত জনসেবায় বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে। আইনের সহযোগিতা সাধারণ মানুষের দুয়ারে পৌছিয়ে দিতে যাদের অসামান্য অবদান রয়েছে।

ডুমুরিয়া থানায় যোগদান করেছেন শুধু মাত্র সাধারণ মানুষের সেবা করার জন্য। লোভ লালসার উর্ধ্বে থেকে ন্যায়ের পথে জীবন বাজি রাখা এমনই একজন পুলিশ কর্মকর্তার নাম আমিনুল ইসলাম বিপ্লব।

তিনি খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানায় যোগদানের পর অপরাধমূলক সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নেই বললেই চলে। ঠিক চলচ্চিত্রের কাহিনীর মতো।

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানা বখে যাওয়া যুব সমাজকে সম্পূর্ণভাবে বুঝাতে সফল হয়েছেন ।যে মাদক একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করতে যথেষ্ট। ডুমুরিয়া থানার প্রতিটি মানুষের কাছে পুলিশ অফিসার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। একটি ন্যায়পরায়ন আদর্শবান পুলিশের নাম। এই পুলিশ কর্মকর্তা শুধুমাত্র মানুষের সেবা করতে পারলেই মহাখুশি।

জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মানুষের পাশে থেকে মানুষের সেবা করাই তাঁর স্বপ্ন। প্রকৃতপক্ষে একজন পুলিশ কর্মকর্তাই পারে জনগণের প্রকৃত বন্ধু হতে।

যতই পুলিশকে গালমন্দ করি সামান্য বিপদে পড়লেই কিন্তু এই পুলিশের শরাণাপন্ন হতে হয়। পুলিশ নিজে সারা রাত জেগে অন্যের ঘুমের সু-ব্যবস্থা করে।

খুব সম্ভবত এটিই পৃথিবীর একমাত্র প্রফেশন যেটিতে ২৪ ঘন্টা দায়িত্বে ব্যস্ত থাকতে হয়। দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কাজেই রাষ্ট্রযন্ত্রকেও এই বাহিনীর যথাযোগ্য মর্যদার কথা বিবেচনায় রাখতে হবে।
বিশেষ করে যারা সততা ও ন্যায়ের সাথে নিজেদের কর্তব্য ও দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে আমরাও চাই দেশের প্রতিটি পুলিশ সৎ, সাহসী ও ন্যায়নিষ্ঠাবান হোক। মানুষের সেবাই হোক পুলিশের প্রথম ও প্রধান এবং একমাত্র আদর্শ ।

মন্ত্যব্য সমূহ